ভয়ং’কর এক ভাই’রাস, ২ দিনেই ৮ কোটি মানুষের মৃ;ত্যুর শঙ্কা!

404
ছবি সংগৃহীত

করোনাভাই’রাস বা কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে গোটা বিশ্ব। ভাই’রাসটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ লাখ মানুষ আক্রা’ন্ত হয়েছেন। মারা গেছেন মারা গেছেন ৪ লাখ ৫১ হাজারের বেশি মানুষ। কিন্তু গবেষকদের তথ্য বলছে, করোনাভাই’রাসের চেয়ে ভয়ং’কর একাধিক মারণ ভাই’রাস রয়েছে পৃথিবীতে। যা খুব সহযেই ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর আগে ১৯১৮ থেকে ১৯১৯ সালে এমন একটি মহামারি দেখা দিয়েছিল। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাই’রাসের আক্র’মণে তখন বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল। শক্তিশালী এসব ভাই’রাস বর্তমান সময়ে ছড়িয়ে পড়লে মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে সারা বিশ্বে পৌঁছে যাবে এবং প্রায় ৮ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছিল, জিপিএমপির গবেষকরা বলছেন, আলোচিত ইবোলা, জিকা বা ডেঙ্গুর মতো করেই এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।এজন্য বিশ্বনেতাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে এমন মহামারি প্রতিরোধে সব প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল ওই গবেষণা রিপোর্টে।বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক প্রধান ও নরওয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আল হাদ আজ সি এর নেতৃত্বে এ গবেষণা পরিচালিত হয়। তিনি বর্তমানে জিপিএমবি এর সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্সি অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) মহামারি নিয়ে একটি গবেষণা প্রোগ্রাম শুরু করে ‘প্রেডিক্ট’ নামে। এটির কাজ ছিল জুনটিক (যেসব ভাই’রাস প্রাণী থেকে মানুষে ছড়াতে পারে) ভা’ইরাস শনাক্ত করা যেগুলো মানব সমাজে মহামারি ঘটাতে সক্ষম এবং বিশ্বকে এই ধরনের ভা’ইরাস মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলা।এর গবেষকরা দেখেছেন, ২১ শতকের শুরুর দিকে যতগুলো নতুন ভা’ইরাস কিংবা নতুন করে প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়া ভা’ইরাস তার ৭৫ শতাংশই অন্য প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়েছে।