বালিশ চাপা দিয়ে শিশুকে হত্যাঃ করোনার দোহাই

123
ছবি সংগৃহীত

এক বছর তুর্কির সর্বোচ্চ পর্যায়ে ফুটবল খেলা চেভর তোকতাস তার নিজের পাঁচ বছরের ছেলেকে হত্যা করেছেন। প্রথমে মনে করা হয় তার ছেলে কাশিমের করোনায় মৃত্যু হয়েছে । কিন্তু ১১ দিন আগে পরীক্ষা করে জানানো হয় ওই ছেলেটির করোনা হয়নি। পাঁচ বছরের ছেলেটি অন্য কারণে মারা গেছে। পরে ফুটবলার চেভর তোকতাস  তার ছেলেকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছেন।

চেভর তোকতাস  স্বীকার করলেন, বালিশ চাপা দিয়ে নিজের পাঁচ বছর বয়সী সন্তানকে হত্যার কথা। গত ২৩ এপ্রিল জ্বর-সর্দি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ওই শিশুকে। এরপর করোনা সন্দেহে তার বাবাকেও কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। পরদিন সাবেক ফুটবলার তোকতাস ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলেন, তার ছেলের প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হলেও মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তোকতাস পুলিশের হাতে ধরা দিয়েছেন ও ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করে একটা বিবৃতি দিয়েছেন। বর্ণনায় তিনি বলেছেন, ‘উল্টো হয়ে শুয়ে থাকা আমার ছেলের ওপর বালিশ চাপা দিয়ে ধরে রাখি ১৫ মিনিটের মতো। সে বাঁচার জন্য খুব চেষ্টা করে। যখন ওর নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যায় আমি ডাক্তারের কাছে ছুটে যায়।’

ফুটবলার চেভর তোকতাস আরও বলেন, ‘আমার কোন মানসিক সমস্যা নেই। শুধু জানি, আমি আমার ছোট ছেলেকে পছন্দ করতাম না। কেন পছন্দ করতাম না তাও জানি না। তাকে হত্যা করার কারণ এইটুকু যে, আমি তাকে ভালো বাসতাম না।’


জানা যায়, সন্তান হত্যার জন্য তার অনুশোনচা হওয়ায় তিনি পুলিশের হাতে ধরা দিয়েছেন।