পাকিস্তানের সিরিজ জয়ে ‘বোনাস’ রেকর্ড

0
17
করাচিতে কাল সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। এতে সিরিজও জিতে নিল পাকিস্তান। সঙ্গে একটি রেকর্ডও গড়ল স্বাগতিকেরা। ওয়ানডেতে নির্দিষ্ট একটি দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড এখন পাকিস্তানের

২০০৯ সালে পাকিস্তান সফরে গিয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। এরপর তো বোমা হামলার জন্য আর কোনো বড় দল পাকিস্তান সফরে যায়নি। দীর্ঘ এক দশক পর পাকিস্তান সফরে যাওয়া বড় কোনো দল বলতে গিয়েছে সেই শ্রীলঙ্কাই। তবে ঘরের মাঠে নিমন্ত্রণ করে এবার আর সিরিজ হাতছাড়া করেনি পাকিস্তান। কাল করাচিতে তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতেছে সরফরাজ আহমেদের দল। এ জয়ের মধ্য দিয়ে একটি রেকর্ডও গড়ল পাকিস্তান।

ওয়ানডেতে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে পাকিস্তান। ১৯৭৫ থেকে কাল পর্যন্ত ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৫৫ ম্যাচ খেলে ৯২তম জয়ের মুখ দেখল দলটি। এ সংস্করণে আর কোনো দলই নির্দিষ্ট কোনো একটি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এত ম্যাচ জিততে পারেনি। এর আগে রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে দখলে রেখেছিল পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়া তাদের তাসমান সাগরের প্রতিবেশী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩৭ ম্যাচ খেলে ৯১ জয় পেয়েছে। ১৫৯ ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে ভারতের জয়সংখ্যাও ৯১—প্রতিপক্ষ সেই শ্রীলঙ্কাই।

নির্দিষ্ট কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের তালিকায় বাংলাদেশ বেশ পিছিয়ে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের একনিষ্ঠ ভক্তের স্বাভাবিকভাবেই বোঝার কথা, সর্বোচ্চ জয় এসেছে কোন দলের বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ে—৭১ ম্যাচ খেলে ৪৪ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। হেরেছে ২৮ ম্যাচ।

কাল করাচিতে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২৯৭ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। ১৩৩ রানের ইনিংস খেলেন লঙ্কান ওপেনার দানুষ্কা গুনাতিলকা। তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানকে ওপেনিং জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে দেন ফখর জামান (৯১ বলে ৭৬) ও আবিদ আলী। বিশেষ করে আবিদের ৬৭ বলে ৭৪ রানের ইনিংসটি জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। শেষ দিকে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন হারিস সোহেল। ১০ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।

ওয়ানডে সিরিজ হারের পর এখন টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কা। পরশু লাহোরে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে সফরকারি দল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে