চীনা বিজ্ঞানীদের দাবি; ভ্যাকসিন লাগবে না,করোনা সারবে ওষুধেই

93
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ

চীন মহামারী করোনা মুক্তিতে সফলতার পথে হাঁটছে, দেশটির একটি ল্যাবরেটরির এমনই দাবি করেছেন। তাদের দাবি তাদের পথ মেনে চললে এই মহামারীকে আটকানো সম্ভব হবে।

২০১৯ ডিসেম্বর চিনে প্রথম করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব ঘটে এবং এরপর সেটা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসকরা ওষুধ ও ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভ্যাকসিন ছাড়াই তারা আক্রান্তদের ওষুধ দিয়ে দ্রুত সুস্থ করে তুলতে পারবেন বলে চীনের একটি প্রথিতযশা ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন। পাশাপাশি পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি তারা রোগীদের মধ্যে স্বল্পস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তুলতে পারছেন। এই ওষুধ প্রাণীদের ওপর সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে বলে বেজিংয়ের অ্যাডভান্সড ইনোভেশন সেন্টার ফর জেনোমিক্সের ডিরেক্টর সানি জাই জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘আক্রান্ত ইঁদুরদের ওপর এই পরীক্ষামূলক ড্রাগ ব্যবহার করে অ্যান্টিবডিকে নিউট্রিলাইজ করা হয়েছে। এর পাঁচদিন পরে ভাইরাল লোড কমানো হয়েছে ফ্যাক্টর অফ ২৫০০।’ এর মানে এই ওষুধ থেরাপিউটিক কাজ করেছে।

যে ওষুধ অ্যান্টিবডি নিউট্রিলাইজ করে- তা অনেকাংশেই মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে তৈরি হয়, যা ভাইরাসের দ্বারা কোষ আক্রান্ত হওয়া আটকায়। তাকে আইসোলেট করে দেওয়ায় কাজ হয়েছে এমন ৬০ জন রোগী সেরে উঠেছেন|

রবিবার সায়েন্টিফিক জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যান্টিবডি রোগের দ্রুত নিরাময়ে এবং রোগ থেকে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কাজ করছে।

করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষেত্রে চীন এই মুহূর্তে পাঁচটি ভ্যাকসিন মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। এক থেকে দেড় বছর আগে ভ্যাকসিন আসা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

চীনের বিজ্ঞানীরা প্লাজমা থেরাপির মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসার একটা পথ আবিষ্কারের চেষ্টায় আছেন।এটা অ্যান্টিবডি তৈরি করে তার শরীরের মধ্যে তৈরি হয়ে করোনাভাইরাস এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। চীনে প্লাজমা থেরাপির পর ৭০০ মানুষ এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে লাভবান হয়েছেন।