‘চিকন’ হওয়ার উপায় খুঁজে পাওয়া গেল

437
ছবি সংগৃহীত

কিছু মানুষ ইচ্ছেমতো খেয়েও মোটা হন না। শরীরচর্চা না করেও শুকনা বা চিকন থাকেন। এতে তাঁদের ওজন বাড়ে না। অন্যদিকে কিছু মানুষ আছেন মেপে মেপে খাবার খেয়েও মোটা হয়ে যান। নিয়মিত ব্যায়াম করে ঘাম ঝরিয়েও ওজনটাকে বাগে আনতে পারেন না।তাঁদের জন্য সুখবর দিতে যাচ্ছেন গবেষকেরা। সম্প্রতি চিকন থাকার কারণ একটি জিন আবিষ্কার করেছেন তাঁরা।

গবেষকেরা এস্তোনিয়ার ২০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী ৪৭ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যবান মানুষের চিকিৎসাগত তথ্য ও ডিএনএ নমুণা বিশ্লেষণ করে জিনের এ সংস্করণটি শনাক্ত করেন।ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও মেডিকেল জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক জোসেফ পেনিনগার বলেন, ‘এস্তেোনিয়ান বায়োব্যাংক বিশদ গবেষণার ক্ষেত্রে অনন্য। আমরা মানুষের জেনেটিক ম্যাপের সঙ্গে যাদের বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ১৮ এর কম তাদের তথ্য স্বাভাবিক ওজনের মানুষের সঙ্গে তুলনা করি। এতে দেখা যায়, চিকন হওয়ার জন্য জেনেটিক সংস্করণের সম্পর্ক রয়েছে।’

গবেষকেরা এলকে জিন কীভাবে কাজ করে, তা বুঝতে ইঁদুর ও মাছি নিয়ে গবেষণা করেন।গবেষকেরা বলেন, বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই জানেন এএলকে জিনের এক ধরনের রূপান্তর (মিউটেটেড ফর্ম) ও বিশেষ প্রোটিন ক্যানসার টিউমার তৈরিতে কাজ করে। ফুসফুসের ক্যানসার কিংবা মস্তিষ্কের ক্যানসারে এদের উপস্থিতি পাওয়া যায়। নতুন এ গবেষণায় দেখা গেছে, ওই জিনটির একটি আলাদা মিউটেশন চিকন থাকার ও ওজন বাড়ার ক্ষেত্রে বাধা দিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। ইঁদুর ও মাছিতে গবেষণা করে এর প্রমাণ মিলেছে। গবেষকেরা ও জিনটি সরিয়ে দিয়ে চিকন ইঁদুর ও মাছি দেখতে পান।

ইতিমধ্যে ক্যানসার চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হচ্ছে, ভবিষ্যতে মেদ কমাতে এটির ব্যবহার নিয়ে ভাবতে পারেন চিকিৎসকেরা।